Responsive Ad Slot

18Th NTRCA Exam General Knowledge Short Suggestion

Thursday, February 29, 2024

/ by Admin

18Th NTRCA Exam College Level Short Suggestion

General Knowledge

বর্তমানের ট্রেডিং টপিকগুলো দ্রুত পড়ে ফেলুন যেমন: পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পূর্বাচল এক্সপ্রেস হাইওয়ে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে , মাতারবাড়ি প্রকল্প, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু, পায়রা সমুদ্র বন্দর, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ইত্যাদি ।

পদ্মা সেতু সংক্রান্ত গুরুপ্তপুর্ন  প্রশ্ন ও উত্তর

◼ পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয় ২৫ জুন ২০২২ 
◼ পদ্মা সেতুতে নতুন ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হয় ১০ অক্টোবর ২০২৩ 
◼ পদ্মা সেতুতে ট্রেনের বাণিজ্যিকভাবে চলাচল শুরু হয় ১ নভেম্বর ২০২৩ 
◼ পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয় ৪ এপ্রিল ২০২৩ 
◼ পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১ টি 
◼ পদ্মা সেতুর নির্মাণ গার্লস শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর 
◼ বাংলাদেশের প্রথম পাথরবিহীন রেলওয়ের নাম ঢাকা ভাঙ্গা রেলওয়ে ৩০ কিলোমিটার পাথরবিহীন পদ্মা সেতু
◼ পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৮২ কিলোমিটার
◼ পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে কোন প্রতিষ্ঠান ?
- AECOM

মেট্রোরেল সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর 

১. প্রশ্ন : ঢাকা মেট্রোরেলের ব্যবস্থাকে কী বলা হয়?
উত্তর : ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট।

২. প্রশ্ন : মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যবস্থার নাম কী ?
উত্তর : কমিউনিকেশন বেজড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম।

৩. প্রশ্ন : ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করা হয় কবে?
উত্তর : ২৬ জুন ২০১৬।

৪. প্রশ্ন : প্রথম দফায় ঢাকা মেট্রোরেল বা এমআরটি-৬ লাইনের দৈর্ঘ্য কত ছিল?
উত্তর : ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার।

৫. প্রশ্ন : ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
উত্তর : ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড।

৬. প্রশ্ন : ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
উত্তর :দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন।

৭. প্রশ্ন : ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের বর্তমান দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার।

৮. প্রশ্ন : মেট্রোরেলের স্টেশনসংখ্যা প্রথমে কত ছিল?
উত্তর : ১৬।

৯. প্রশ্ন : সংশোধিত প্রকল্পে বর্তমানে স্টেশনসংখ্যা হবে কত?
উত্তর : ১৭।

১০. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয় কবে?
উত্তর : ১৯ জুলাই ২০২২।

১১. প্রশ্ন : সংশোধিত প্রকল্পে বর্তমান মেট্রোরেল হবে—
উত্তর :উত্তরা থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত।

১২. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্প প্রথমে ছিল—
উত্তর : উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত।

১৩. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্পের নতুন করে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে কত কিলোমিটার?
উত্তর : ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার।

১৪. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করছে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর : জাইকা (৭৫%) ও বাংলাদেশ সরকার।

১৫. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম ব্যয় ধরা হয়েছিল কত টাকা?
উত্তর : ২১ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা।

১৬. প্রশ্ন : সংশোধনের পর মেট্রোরেল প্রকল্পের নতুন ব্যয় কত টাকা?
উত্তর :  ৩৩ হাজার ৪৭১ দশমিক ৯৯ কোটি টাকা।

১৭. প্রশ্ন : মেট্রোরেল প্রকল্পে জাইকা কত টাকা দেবে?
উত্তর : ১৯ হাজার ৭১৮ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা।

১৯. প্রশ্ন : এমআরটি লাইন-৬ মেট্রোরেল প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হয় কবে?
উত্তর : ১৮ ডিসেম্বর ২০১২।

২০. প্রশ্ন : প্রথম ধাপে মেট্রোরেলের কত কিলোমিটার ও কোন এলাকা চালু হবে?
উত্তর : উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

২১. প্রশ্ন : মিরপুর ১০ স্টেশন পর্যন্ত মেট্রোরেলের প্রথম পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয় কবে?
উত্তর : ২৯ নভেম্বর ২০২১।

উদ্বোধনের পরের তথ্য নিয়ে মেট্রোরেল সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান নিম্নরুপ :

১। বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেলের উদ্বোধন করা হয় কবে?
উত্তরঃ ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

২। মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালকের নাম কী?
উত্তরঃ মরিয়ম আফিজা 

৩। মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী কে?
উত্তরঃ শেখ হাসিনা

৪। মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ভাড়া কত?
উত্তরঃ সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ ও সর্বোচ্চ ভাড়া ১০০ টাকা

৫। মেট্রোরেল প্রকল্পের মোট ব্যয় কত?
উত্তরঃ ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা

৬। পৃথিবীর প্রথম মেট্রোরেল চালু হয় কোন শহরে?
উত্তরঃ লন্ডন (১৮৬৩)

৭। মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে?
উত্তরঃ ৫০ টাকা

৮। মেট্রোরেলে অর্থায়ন করেছে কোন বিদেশী সংস্থা?
উত্তরঃ জাইকা (জাপান)

পূর্বাচল এক্সপ্রেস হাইওয়ে সংক্রান্ত গুরুপ্তপুর্ন  তথ্য 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর ২০২৩) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত ‘পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফুট) প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। 
  • দৈর্ঘ্য ১২.৫ কিমি (৭.৮ মাইল)
  • প্রস্থ ২৩৫ ফিট
  • অবস্থান পূর্বাচল, ঢাকা, বাংলাদেশ
আট লেন-প্রশস্ত এভিনিউ এক্সপ্রেসওয়ে। এই এক্সপ্রেসওয়ে পূর্বাচলকে ঢাকার পূর্বাঞ্চলকে সংযুক্ত করেছে।
রাজধানীর সঙ্গে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ ঘটাবে পূর্বাচলের ১৪ লেনের এক্সপ্রেসওয়ে যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় এক্সপ্রেসওয়ে। এই প্রকল্পটিতে কুড়িল হতে বালু নদী পর্যন্ত ৫.৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮ লেন বিশিষ্ট এক্সপ্রেসওয়ে ও ৬ লেন বিশিষ্ট সার্ভিস রোড এবং বালু নদী হতে কাঞ্চন পর্যন্ত ৬.৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬ লেন বিশিষ্ট এক্সপ্রেসওয়ে ও ৬ লেন বিশিষ্ট সার্ভিস রোড রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, কুড়িল হতে কাঞ্চন পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৫টি এ্যাটগ্রেড ইন্টারসেকশন নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় কুড়িল হতে কাঞ্চন পর্যন্ত সড়কের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দৃষ্টিনন্দন ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া কুড়িল হতে কাঞ্চন পর্যন্ত ১২.৩০ কিলোমিটার সড়ক ও খালের উভয় পাশের্¡ ৩ মিটার প্রশস্ত ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজও সম্পন্ন করা হবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

◼ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই টার্মিনালের উদ্বোধন করেন।
◼ ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। 
◼ নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। 
◼ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। 
◼ এর মধ্যে জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে ১৬ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। আর বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

◼ ৩০ লাখ বর্গফুট জায়গায় তিনতলা বিশিষ্ট এ টার্মিনাল ভবনটির আয়তন হবে ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার 
◼ লম্বা ৭০০ মিটার ও চওড়া ২০০ মিটার। 
◼ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিপিজি কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড, সিঙ্গাপুর এর স্থপতি।
◼ ৩য় টার্মিনাল ভবনে প্রথম পর্যায়ে ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ চালু করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও ১৪টি বোডিং ব্রিজ স্থাপন করা হবে। 
◼ বহির্গমনে মোট ১১৫টি চেক-ইন-কাউন্টার থাকবে, এর মধ্যে ১৫টি থাকবে সেলফ সার্ভিস চেক ইন কাউন্টার। 
◼ আগমনী লাউঞ্জে ৫টি স্বয়ংক্রিয় চেক ইন কাউন্টারসহ মোট ৫৯টি পাসপোর্ট চেক ইন কাউন্টার থাকবে।

◼ ১০টি স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট কন্ট্রোল কাউন্টারসহ মোট ৬৬টি ডিপার্চার ইমিগ্রেশন কাউন্টার থাকবে। 

◼ প্রকল্পের নাম: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প (প্রথম পর্যায়)।
  • কত তলা: তৃতীয় টার্মিনালটি তিন তলা বিশিষ্ট।
  • প্রথম তলা: ব্যাগেজ  হ্যান্ডেলিং সিস্টেম, ভিভিআইপি, ভিআইপি ইত্যাদি।
  • দ্বিতীয় তলা: বহির্গমন লাউঞ্জ, ক্যান্টিন, বোর্ডিং ব্রিজ।

তৃতীয় তলা: বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ইমিগ্রেশন, বিদেশগামী যাত্রীদের ইমিগ্রেশন, চেক ইন কাউন্টার, সিকিউরিটি সিস্টেম ইত্যাদি।

ভিভিআইপি যাত্রীদের জন্য: তৃতীয় টার্মিনালে ভিভিআইপি ও ভিআইপি যাত্রীদের জন্য আলাদা করে বিশেষ ব্যস্থাপনা থাকবে। টার্মিনালের দক্ষিণ প্রান্তে  ৩ হাজার ৬৫০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে রয়েছে এই আয়োজন।

টার্মিনালের আয়তন: তৃতীয় টার্মিনালের আয়তন  ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার। বর্তমান দুটি টার্মিনালের আয়তন  এক লাখ বর্গ মিটার।

ট্রানজিট: ট্রানজিট যাত্রীরা প্রধান বহির্গমন লাউঞ্জ ব্যবহার করবে, যার আয়তন ৪০ হাজার বর্গ মিটার।

যাত্রী ধারণ ক্ষমতা: তৃতীয় টার্মিনালের যাত্রী ধারণ ক্ষমতা বছরে এককোটি ৬০ লাখ। বর্তমানে দুটি টার্মিনালে বছরে যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮০ লাখ।  

আগমনী যাত্রীদের জন্য লাগেজ বেল্ট: তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রীদের লাগেজ বেল্ট  থাকবে ১৬টি। বর্তমানে দুটি টার্মিনালে লাগেজ বেল্ট আছে ৮টি।

আগমনী যাত্রীদের জন্য কাস্টম: বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য ১ হাজার ৩০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি কাস্টম হল থাকবে। সেখানে ৬টি চ্যানেল থাকবে।

চেক ইন কাউন্টার: তৃতীয় টার্মিনালে চেক ইন কাউন্টার থাকবে  ১১৫টি,  এরমধ্যে স্বয়ংক্রিয় ১৫টি।

ইমিগ্রেশন কাউন্টার: তৃতীয় টার্মিনালে ইমেগ্রেশন কাউন্টার মোট  ১২৮টি। এরমধ্যে স্বয়ংক্রিয়  ১৫টি। মোট ১২৮টি কাউন্টারের মধ্যে বহির্গমন ইমিগ্রেশন কাউন্টার ৬৬টি, আগমনী ইমিগ্রেশন কাউন্টার ৫৯টি এবং ভিভিআইপি ৩টি।

বোর্ডিং ব্রিজ: বর্তমান দুটি টার্মিনালে আছে ৮টি বোর্ডিং ব্রিজ। তৃতীয় টার্মিনালে প্রথম পর্যায়ে ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ থাকবে। পরবর্তী সময়ে আরেকটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় আরও ১৪টি বোর্ডিং ব্রিজ যুক্ত করা হবে।

লিফট: ৪১টি। এরমধ্যে প্যাসেঞ্জার লিফট ৩৪টি ও সার্ভিস লিফট ৭টি

এসকেলেটের: ৩৫টি, মুভিং ওয়াকওয়ে: ১৪টি

হোল্ড ব্যাগেজ এক্সরে মেশিন: ২৭টি, কেবিন ব্যাগেজ  এক্সরে মেশিন: ৪০টি

বডি স্ক্যানার: ১১টি, মেটাল ডিটেক্টর: ৫২টি

উড়োজাহাজ পার্কিং বে: বর্তমানে আছে ২১টি। তৃতীয় টার্মিনালে পার্কিং বে রয়েছে ৩৭টি।

মাল্টি লেভেল কার পার্কের ধারণ ক্ষমতা: বর্তমানে বহুতল কার পার্কি ভবনে ৩০০টি গাড়ি রাখা সম্ভব। তৃতীয় টার্মিনালের কার পার্কিংয়ে ১২৩০টি গাড়ি রাখা যাবে।

আমদানি কার্গো ভবনের আয়তন: বর্তমান কার্গো ভবনের আয়তন ১৩ হাজার ৭০০ বর্গমিটার।  নতুন টার্মিনালের ভবনের আয়তন  ২৭ হাজার বর্গমিটার।

আমদানি কার্গো ভবনের ধারণ ক্ষমতা: বর্তমান ভবনের ধারণ ক্ষমতা বছরে ৮৪ হাজার ৩৭৯ টন। নতুন ভবনের ধারণ ক্ষমতা ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টন।

রফতানি কার্গো ভবনের আয়তন:  বিদ্যমান ভবনের আয়তন ১৯ হাজার ৬০০ বর্গমিটার। নতুন ভবনের আয়তন ৩৬ হাজার বর্গ মিটার।

রফতানি কার্গো ভবনের ধারণ ক্ষমতা:  বর্তমানে বছরে ধারণ ক্ষমতা ২ লাখ ৪৬০ টন। নতুন ভবনে ধারণ ক্ষমতা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪১ টন।

অন্য টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ: বর্তমানের দুটি টার্মিনালের সঙ্গে তৃতীয় টার্মিনালের কোনও সংযোগ থাকবে না। তবে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পে করিডোর নির্মাণ করা হবে।

সড়কের সঙ্গে তৃতীয় টার্মিনালের সংযোগ: ঢাকা- ময়মনসিংহ হাইওয়ের সঙ্গে মূল সড়ক ছাড়াও এলিভেটেড ড্রাইভওয়ের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মেট্রোরেলের একটি স্টেশন মাটির নিচে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মেট্রোরেল স্টেশনের সংযোগের জন্য টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।

কর্ণফুলী টানেল সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল কি নামে নামকরণ করা হয়?

উ: বঙ্গবন্ধু শেখথ মুজিবুর রহমান টানেল নামকে নামকরণ করা হয়।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নদী তলদেশ নির্মত বাংলাদেশের কতম টানেল?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নদী তলদেশ নির্মত বাংলাদেশের প্রথম টানেল।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তি স্থাপন েকরেন কত সালে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর ভিত্তি স্থাপন করা হয় ১৮ অক্টোবর ২০১৬ সালে।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর কাজ শুরু হয় কত সালে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর কাজ শুরু হয় ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সালে।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল ভিত্তি স্থাপন করেন  কে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর ভিত্তি স্থাপন করে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল কোথায় অবস্থিত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল পতেঙ্গা ও আনোয়ার উপজেলা, চট্টগ্রামে অবস্থিত।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন হয় কত তারিখে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন ২৮ অক্টোবর ২০২৩ইং সালে। 

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করেন কে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নদী তলদেশ দিয়ে এশিয়া মহাদেশের কত তম টানেল?  

আরো পড়ুন: মেট্রোরেল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নদী তলদেশের এশিয়া মহাদেশে প্রথম টানেল।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প মেয়াদ কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প মেয়াদ ছিল ২০১৫ সাল হতে ১ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত। 

আরো পড়ুন: সরকারি ছটির তালিকা ২০২৪

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল অর্থ সহযোগীতা করে কোন দেশ?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল অর্থ সহযোগীতা করে চীন।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মা ণ কম্পানির নাম কি?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ করেন China Communication and Construction Company Limited.

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর গভীরতা কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেলের গভীরতা ১৫০ মিটার।

প্রশ্ন: টানেল  এর দৈঘ্য কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর দৈঘ্য ৩.৪৩ কিলোমিটার।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ মোট ব্যয় কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ মোট ব্যয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল ভূমিকম্প সহনশীল মাত্র কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল ভূমিকম্প সহনশীল মাত্র ৭.৫ (খিটার স্কল)।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে জিডিপি বাড়বে কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে জিডিপি বাড়বে ০.০৬%।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ মোট কাজে মোট কত লোক কাজ করছে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মানে মোট জনবল কাজ করে ৫০০০ জন চীনের ছিল ৫০০জন, ২০০জন প্রকৌশলী ৩০০জন শ্রমিক (৪৫০০ বাংলাদেশ শ্রমিক কাজ করে)

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল সংযোগ সড়ক ৫.৩৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর টিউবার সংখ্যা কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর টিউব সংখ্যা ২টি।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এ কি কি যানবাহন চলাচল কার নিষেধ?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এ মোটর সাইকেল ও তিন চাকার যানবাহন চলাচল করা নিষেধ।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল পার হতে কত সময় লাগে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল পার হতে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগে।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল ভূমি অধিগ্রহণ কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল ভূমি অধিগ্রহণ ৩৮২.১৫৫১ একর।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল বাস্তবায়নকারী সংস্থার নাম কি?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কি?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মানণ কারী প্রতিষ্ঠানের চায়না কমিউনিকেশ কনটেষ্ট্রাকশন কোম্পানি (CCCC) লিমিটেড।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল কোন নদীর তলদেশে অবস্থিত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল কর্ণফুলি তলদেশে অবস্থিত।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল লেন সংখ্যা কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল সংখ্যা চারটি। 

প্রশ্ন: এশিয়ার বৃহত্তম টানেল নাম কি?

উ: এশিয়ার বৃহত্তম টানেল জম্মু-কাশ্মীল চানেল।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেলে জ্যাট ফ্যান কতটি?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেলে জ্যাট ফ্যান ১২৬টি 

প্রশ্ন বঙ্গবন্ধু টানেলে প্রতি ঘন্টায় কতটি যানবাহন চলাচল করতে পরবে। 

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এ প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৮ হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারবে। 

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল যানবাহনের গতিসীমা কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল যানবাহনের গতিসীমা ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এ বাংলাদেশে সরকারির বিনিয়োগ কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এ বাংলাদেশে সরাকারির বিনিয়োগ ৪ হাজার ৪৬১ কোট ২৩ লাখ টাকা।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল চীনের সহায়তা কত?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এ চীনের সহায়তা ৫হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে কোন  দশে সাহয়তা করেন?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে চীন (চায়না এক্সিম ব্যাংক) সহয়তা করেন।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প পরিচালকের নাম কি?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প পরিচালকের নাম হারুনুর রশিদ চৌধুরী।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর বায়ুচলাচলে কতটি ফ্যান আছে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর বায়ুচলাচলের মোট ফ্যান ৮টি আছে।

প্রশ্ন: বিনিয়োগকারী চায়না এক্সিম ব্যাংকের সুদের হার কত শতাংশ?

 উ: বিনিয়োগকারী চায়না এক্সিম ব্যাংকের সুদরে হার ২ শতাংশ।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর ইংরেজি নাম কি?

উ: Two Towns-one city.

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু ‍ৃটানেল এর প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?

উ: বঙ্গন্ধু টানেল এর প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য ২.৪৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল কোন জেলায় অবস্থিত?

উ: চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল বাজেট কত?

উ: বঙ্গবন্ধু প্রকল্পটির বাজেট প্রথমে ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৪৪৬কোটি টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়, ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল এর স্বত্বাধিকারী  কে?

উ: বঙ্গবন্ধু টানের এর স্বত্বাধিকারী হলো বাংলাদেশ সরকার।

প্রশ্ন: নদীর তলদেশে দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোনটি? 

উ: নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম হলো টানেল বঙ্গবন্ধু টানেল বা কর্ণফুলী টানেল।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধু টানেল  প্রবেশপথ কোথায়?

উ: বঙ্গবন্ধু টানেল এর প্রবেশ পথ চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট থেকে কর্নফুলী নদীর ২ কিলোমিটার ভাটির দিকে নেভি কলেজের নিকট।

প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধুু  টানেল কক্স-বাজার থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব হ্রাস করবে কত কিলোমিটার?

উ: ৪০ কিলোমিটার দূরুত্ব হ্রাস করবে।

প্রশ্ন: ৫ কি:মি: বেশি।

প্রশ্নোত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল
প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় কবে?
উত্তর : ১৪ অক্টোবর ২০১৬

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কে?
উত্তর : বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

প্রশ্ন : টানেলের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় কবে?
উত্তর: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেল কোন কোন এলাকাকে সংযুক্ত করেছে?
উত্তর : চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা।


প্রশ্ন : টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর : ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার বা ২ দশমিক শূন্য ৬ মাইল।

প্রশ্ন : মূল টানেলে কতটি টিউব/সুড়ঙ্গ আছে?
উত্তর : দুটি।

প্রশ্ন : কর্ণফুলী টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর : ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেলের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : উভয় দিকে মোট ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেলের লেনসংখ্যা কত?
উত্তর : ৪ (৪টিই সড়কপথ)।

প্রশ্ন : কর্ণফুলী নদীর কত ফুট গভীরে এ টানেল নির্মাণ করা হয়েছে?
উত্তর : ১৫০ ফুট গভীরে।

প্রশ্ন : কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর : চায়না কমিউনিকেশন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি)।

প্রশ্ন : টানেলের মোট নির্মাণ ব্যয় কত ?
উত্তর : ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু টানেলের ঋণসহায়তা প্রদান করে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর : চীনের এক্সিম ব্যাংক (ব্যাংকটি ২০ বছর মেয়াদি ঋণ হিসেবে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারের)।

প্রশ্ন : কর্ণফুলী টানেল নির্মাণে ঋণচুক্তি সই হয় কবে?
উত্তর : ১৪ অক্টোবর ২০১৬।

প্রশ্ন : এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে সুদের হার কত শতাংশ?
উত্তর : ২ শতাংশ।

প্রশ্ন : টানেলটি নির্মাণের ফলে চট্টগ্রাম শহর কোন মডেলে গড়ে উঠেছে?
উত্তর : চীনের সাংহাই শহরের আদলে, ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ বা এক নগর দুই শহর।

প্রশ্ন : এই টানেল দেশের জিডিপিতে বার্ষিক কত শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাড়াবে?
উত্তর : ০.১৬৬ শতাংশ।

সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন উত্তর: পদ্মা সেতু
সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন উত্তর: পদ্মা সেতু 
প্রশ্ন : কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ তদারক করছে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর : বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

প্রশ্ন : টানেলের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলবে?
উত্তর : ৮০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন : নদীর তলদেশ দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোনটি?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

প্রশ্ন : দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশে প্রথম ও দীর্ঘতম সড়ক টানেল কোনটি?
উত্তর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

প্রশ্ন : জরুরি প্রয়োজনে এক টিউব থেকে অন্য টিউবে যাওয়ার জন্য কয়টি সংযোগ রাখা হয়েছে?
উত্তর : ৩টি।

প্রশ্ন : জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় টানেলের ভেতরে কতটি সেচপাম্প বসানো হয়েছে?
উত্তর : ৫২টি।

প্রশ্ন : টানেল নির্মাণের ফলে ঢাকা-কক্সবাজারের কত কিলোমিটার দূরত্ব কমে গেছে?
উত্তর : ১৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন : কোন নদীর তলদেশে এ টানেলের অবস্থান?
উত্তর : কর্ণফুলী নদী।

বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর: ৩.৪৩ কিলোমিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেলের আসল নাম কি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প পরিচালকের নাম কি?
উত্তর: জনাব হারুনুর রশিদ চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের সর্বপ্রথম যাত্রা শুরু হয় কবে ?
উত্তর: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সালে।

বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণ কাজ কবে উদ্ভোদন করা হয়?
উত্তর: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ সালে।

বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণ কাজ উদ্ভোদন কে করেন?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু টানেল কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: চট্টগ্রাম জেলায়।

বঙ্গবন্ধু টানেল সংযুক্ত হচ্ছে কোথায়?
উত্তর: পতেঙ্গা ৪১ নং ওয়ার্ডের নেভাল একাডেমির বন্দর অঞ্চল থেকে চট্টগ্রামের আনােয়ারা পর্যন্ত।

বঙ্গবন্ধু টানেলে কত লেনের রাস্তা রয়েছে?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলে ২ লেনের রাস্তা রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর: কর্ণফুলী টানেলের মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯২ কিলোমিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেলের বায়ুচলাচল ফ্যান আছে কতটি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট ৮টি বায়ুচলাচল ফ্যান রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু টানেলের জেট ফ্যান সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের জেট ফ্যান সংখ্যা ১২৬ টি।

বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহন চলাচল ক্ষমতা কত?
উত্তর: প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৮,০০০ টি।

বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহনের গতিসীমা কত?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহনের গতিসীমা ৬০ কি.মি./ ঘন্টা।

বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট ব্যয় কত টাকা?
উত্তর: মোট ব্যয় প্রায় ১০ হাজার ৬৮৯.৭১ কোটি টাকা।

বঙ্গবন্ধু টানেলের বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ মোট ব্যয়ের কত টাকা ছিল?
উত্তর: মোট ব্যয়ের ৪ হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ।

চায়না এক্সিম ব্যাংক থেকে সহায়তা পায় কত টাকা?
উত্তর: চায়না এক্সিম ব্যাংক থেকে সহায়তা পায় ৫ হাজার ৯১৩ কোটি।

চায়না এক্সিম ব্যাংকের বিনিয়োগের সুদের হার কত শতাংশ?
উত্তর: চায়না এক্সিম ব্যাংকের বিনিয়োগের সুদের হার ২ শতাংশ।

বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মিত হলে ব্যাস কত কিলোমিটার?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের টানেলের ব্যাস ১০.৮০ মিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেলের ইংরেজি অপর নাম কি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের ইংরেজি অপর Two towns – one city।

বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণ কাজ শেষ হবে?
উত্তর: ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে নির্মাণ কাজ শেষ হবে ।

বঙ্গবন্ধু টানেলের দুটি টিউবের প্রতিটির দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর: দৈর্ঘ্য ২.৪৫ কিলোমিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেল কোন জেলায় অবস্থিত?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেল চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

বঙ্গবন্ধু টানেল বাজেট কত টাকা?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকল্পটির বাজেট প্রথমে ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা।

বঙ্গবন্ধু টানেলের স্বত্বাধিকারী কে?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের স্বত্বাধিকারী হলো বাংলাদেশ সরকার।

বঙ্গবন্ধু টানেলের গভীরতা কত মিটার?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার।

নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোনটি?
উত্তর: নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম হলো টানেল বঙ্গবন্ধু টানেল বা কর্ণফুলী টানেল।

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী দেশ কোনটি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী দেশ হচ্ছে “চীন”।

বঙ্গবন্ধু টানেলের সুবিধা কি?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলের সুবিধা হচ্ছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য ঢাকা এবং কক্সবাজারের মধ্যে ভ্রমণের সময় কমিয়ে দেবে, যা স্থানীয় পর্যটন খাতে অনন্য পরিবর্তন আনবে।

বঙ্গবন্ধু টানেলর টানেলের প্রবেশপথ কোথায়?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু টানেলর টানেলের প্রবেশপথ চট্টগ্রাম এয়ারপাের্ট থেকে কর্ণফুলী নদীর ২ কি.মি. ভাটির দিকে নেভি কলেজের নিকট।

বঙ্গবন্ধু টানেল অর্থায়নে সহযােগিতায় ছিল কারা?
উত্তর: চীনের এক্সিম ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার।

বঙ্গবন্ধু টানেলে সারাদিনে কতটি গাড়ি চলাচল করতে পারবে?
উত্তর: সারাদিনে প্রায় ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি চলাচল করতে পারবে।

বঙ্গবন্ধু টানেল কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের কত কিলোমিটার দূরত্ব হ্রাস করবে?
উত্তর: ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব হ্রাস করবে।

বিশ্বের কোন শহরের মত চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি সিটি-টু টাউন?
উত্তর: চীনের সাংহাই নগরীর মতো।

বঙ্গবন্ধু টানেলের সুড়ঙ্গের সাথে মোট কিলোমিটারের বেশি সংযোগ সড়ক যুক্ত হবে?
উত্তর: ৫ কিলোমিটারের বেশী।

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

অবস্থান রূপপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা
স্থানাঙ্ক ২৪°৪′০″ উত্তর ৮৯°২′৫০″ পূর্ব
নির্মাণ শুরু ৩০ নভেম্বর ২০১৭
নির্মাণ ব্যয় ১,১৩,০৯২ কোটি টাকা
মালিক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
পরিচালক নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বাংলাদেশ লিমিটেড
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
চুল্লির ধরন চাপযুক্ত জল চুল্লি
চুল্লী সরবরাহকারী রোসাটম
কুলিং উৎস পদ্মা নদী
বিদ্যুৎ উৎপাদন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত মেগাওয়াট | Ruppur Nuclear Power Plant capacity

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দুইটি ভিভিইআর-১২০০ টাইপ চুল্লি নিয়ে গঠিত, যার প্রতিটিটির ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। সুতরাং, এই কেন্দ্রটির মোট ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাজেট
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট ব্যয় ছিল ১,১৩,৯২৯ কোটি টাকা , প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। এই ব্যয়ের মধ্যে ৯০% অর্থ ঋণ হিসেবে রাশিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি ১০% অর্থ বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হয়েছে।

প্রথম দিকে, প্রকল্পের মোট ব্যয় ১,০০,০০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে, প্রকল্পের পরিধি বাড়ার কারণে ব্যয় বেড়ে যায়। ২০২৩ সালের হিসাবে, প্রকল্পের মোট ব্যয় ১,১৩,৯২৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত | Ruppur Nuclear Power Plant Location
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের উত্তর-পশ্চিমে, পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার অন্তর্গত পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর গ্রামে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি পদ্মা নদীর উপরে নির্মিত হার্ডিঞ্জ ব্রীজ ও লালন শাহ সেতুর পাশেই নদীতীরে অবস্থিত।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি কি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হল ইউরেনিয়াম। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী রাশিয়া থেকে সরবরাহ করা হবে। এই জ্বালানীটি বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোম্পানি লিমিটেড (বিপিপিসি) দ্বারা পরিচালিত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহায়তাকারী দেশ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তাকারী দেশ হল রাশিয়া। রাশিয়া এই প্রকল্পে অর্থ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন জেলায়
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার অন্তর্গত পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর গ্রামে অবস্থিত।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ওয়েবসাইট |  Rooppur nuclear power plant website

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওয়েবসাইট হল www.rooppurnpp.gov.bd । এই ওয়েবসাইটে কেন্দ্রটির সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

২০১৮ সালের ২৪ জুলাই কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। স্টেশনটি নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের বাজেট ছিল ৫০০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের মধ্যে স্টেশনটি নির্মাণের কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশেষে ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন উদ্বোধন করেন।

কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটি বাংলাদেশের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন রেলওয়ে স্টেশন। স্টেশনটিতে একটি ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন রয়েছে। ভবনটির আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গফুট। ভবনের মধ্যে রয়েছে যাত্রীদের জন্য রেলওয়ে বুকিং কাউন্টার, টিকিট কাউন্টার, রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, ওয়েটিং রুম, টয়লেট ইত্যাদি। ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত কক্সবাজার এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।

প্রকল্প পরিচালক সুবক্তগীন বলেন, “এ প্রকল্পের কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য আছে। প্রথমত এটা একটা নতুন জেলাকে যুক্ত করল- কক্সবাজার জেলা। দ্বিতীয়ত এটা পর্যটন নগরীকে যুক্ত করল।

“এবং এটা পরবর্তীতে আমাদের মাতারবাড়িতে যে গভীর সমুদ্র বন্দর সেটার সাথেও আমাদের কানেক্ট করছে। ভবিষ্যতে ওখানে রেল কানেক্টিভিটি হবে।"


চালু হতে যাওয়া রেলপথে যে চুনতি অভয়ারণ্য পড়েছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বনাঞ্চলের ভিতর দিয়ে এই রেললাইন গেছে। আমরা চেষ্টা করেছি, যথাসম্ভব পরিবেশকে রক্ষা করতে। এবং এখানে যে বন্য প্রাণী আছে, তারা যাতে অবাধে বিচরণ করতে পারে বনের একপাশ থেকে আরেক পাশে; সেজন্য এখানে হাতির জন্য আন্ডারপাস এবং ওভারপাস করা হয়েছে।

“হাতি যে ধরনের খাদ্য খায়, তার পথে সে ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে; যাতে হাতি সেই পথ দিয়ে চলাচল করে। এটা দীর্ঘদিন আমরা সিসিটিভিতে মনিটরিং করে এবং ইন্টারন্যাশনাল এক্সপার্টরা ডিজাইন করেছে, সেভাবে এটা হয়েছে। আমাদের জানা মতে, এশিয়াতে আর হাতির জন্য কোনো ওভারপাস বা আন্ডারপাস নেই। এটাই প্রথম।"

সুবক্তগীন বলেন, “এরপর কক্সবাজার যে রেলওয়ে স্টেশনটা, এটা আধুনিক একটা ভবন। স্টেশনের অপারেশন সুবিধা ব্যাপক হারে আছে। লিফট ও এসকেলেটর আছে বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থদের জন্য। ফুড কোর্ট, আবাসিক, যাত্রীদের জন্য লকার ব্যবস্থা সব কিছু রাখা হয়েছে।

“একজন পর্যটক আলাদা করে হোটেলে না থাকলেও পারবেন। সেখানে লাগেজ রাখতে পারবেন। স্বল্প খরচে কেউ থাকতে চাইলে সেখানে থাকতেও পারবেন। ভালো মানের অপারেটর দিয়ে সেটি পরিচালনা করা হবে।"


কালুরঘাট সেতুর মেরামত কাজ বৃহস্পতিবারের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে জানিয়ে সুবক্তগীন বলেন, “কালকে সেখানে ট্রায়াল হবে।"

এ রেলপথ নির্মাণের আগে কক্সবাজারের সঙ্গে কোনো রেল যোগাযোগই ছিল না। শুরুতে এটি ছিল ‘দোহাজারী হতে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ’ প্রকল্প। এতে মোট ১২৯ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণের কথা ছিল।

পরে রামু থেকে ঘুমধুম অংশের কাজ স্থগিত করা হয়। এখন চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রকল্প সহায়তা দিচ্ছে ১৩ হাজার ১১৫ কোটি টাকা এবং বাকি ৪ হাজার ১১৯ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের জন্য দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার অংশে কক্সবাজার জেলায় ১ হাজার ৩৬৫ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হয়েছে।


প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে ৯টি রেলওয়ে স্টেশন, চারটি বড় ও ৪৭টি ছোট সেতু, ১৪৯টি বক্স কালভার্ট এবং ৫২টি রাউন্ড কালভার্ট।

বর্তমান সরকার ২০১০ সালে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়। তখন প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। প্রকল্প শেষ করার কথা ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে।

পরে জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে প্রকল্পটিতে অর্থায়নের জন্য এডিবিকে প্রস্তাব দেয় সরকার।

এডিবি বিশদ সমীক্ষা পরিচালনা করে ট্রান্স এশিয়ান রেল লাইনের আওতায় প্রকল্পটিতে অর্থায়নে সম্মতি দেয়। এরপর ২০১৭ সালে প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্পটির ব্যয় ১৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

পরে কোভিড সময়ে কাজের অগ্রগতি প্রত্যাশিত না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ঠিক করা হয়।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

রাজধানীবাসীর বহুল প্রতীক্ষিত এ এক্সপ্রেসওয়ের কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশ শনিবার ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ উদ্বোধন করা হয়। পরদিন রোববার ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ভোর থেকে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত বিস্তৃত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এক্সপ্রেসওয়েতে গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার।

এক্সপ্রেসওয়েটি তৈরি হচ্ছে সরকারের সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধানে। মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পে ওঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।

ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই) কোম্পানি লিমিটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বিনিয়োগকারী কোম্পানি। এতে ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার রয়েছে ৫১ শতাংশ, চায়না শানডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেশন গ্রুপের (সিএসআই) শেয়ার ৩৪ শতাংশ এবং সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেডের ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

প্রকল্প অনুযায়ী, প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯ জানুয়ারি ২০১১ সালে। পর্যালোচনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৩ সালে। প্রকল্প সমাপ্তির সময়কাল ছিল জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০২৪ সাল পর্যন্ত।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। ভায়াবিলিটি গ্যাপ ফান্ডিং (ভিজিএফ) তহবিল দুই হাজার ৪১৩ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশ সরকার প্রদান করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় এক যুগ পর শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) চালু হচ্ছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিমানবন্দর-ফার্মগেট অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অংশের উদ্বোধন করবেন।

জানা গেছে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে সব ধরনের যানবাহন চললেও মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলার চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

টোল কত

চার ক্যাটাগরিতে চলাচল করা যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায় করা হবে। সর্বনিম্ন টোল ৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাটাগরি- ১ : কার, ট্যাক্সি, জিপ, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল, মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) এবং হালকা ট্রাক (৩ টনের কম) ৮০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ২ : মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত) ৩২০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ৩ : ট্রাক (৬ চাকার বেশি) ৪০০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ৪ : সব ধরনের বাস (১৬ সিট বা তার বেশি) ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ টোলহার কার্যকর হবে উদ্বোধন হওয়ার দিন থেকেই। নির্ধারিত অংশের যেকোনো স্থানে ওঠা-নামার ক্ষেত্রে এ টোলহার প্রযোজ্য হবে।

প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

প্রকল্পের ভৌত কাজের প্রথম ধাপে ১৪৮২টি পাইল, ৩২৬টি পাইল ক্যাপ, ৩২৫টি কলাম, ৩২৫টি ক্রস বিম, ৩০৪৮টি আই গার্ডার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ৩০৪৮টি আই গার্ডার এবং ৩২৮টি ব্রিজ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্পের ভৌত কাজের দ্বিতীয় ধাপে ১৬৩৩টি পাইল, ৩৩৫টি পাইল ক্যাপ, ৩২৩টি কলাম, ৩২০টি ক্রস বিম, ২৩০৫টি আই গার্ডার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ২০৪৪টি আই গার্ডার এবং ২৩৩টি ব্রিজ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের ভৌত কাজের তৃতীয় ধাপে অগ্রগতি ৫.৬৭ শতাংশ।

বর্তমানে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ফেজ হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সামনে থেকে ফার্মগেট প্রান্তের অংশ পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এ পথের দূরত্ব দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার। র‍্যাম্পসহ এ পথের মোট দৈর্ঘ্য ২২.৫ কিলোমিটার। ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে র‍্যাম্প রয়েছে ১৫টি। র‍্যাম্পগুলো হচ্ছে— বিমানবন্দরে ২টি, কুড়িলে ৩টি, বনানীতে ৪টি, মহাখালীতে ৩টি, বিজয় সরণিতে ২টি এবং ফার্মগেটে ১টি। ১৫টির মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প প্রাথমিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।


এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নাম কি ? 
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের রুট কি ? 
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত

কোন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়? 

প্রথম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয় কখন? 
১৯ জানুয়ারি ২০২১১

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষর  হয় কখন? 
১৫ ডিসেম্বর ২০১৩

প্রকল্পের মেয়াদ? 
জুলাই ২০২১১ - জুন ২০২৪

প্রাক্কলিত ব্যয় কত ধরা হয়েছে? কাজ শুরুর তারিখ? 
প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। ভায়াবিলিটি গ্যাপ ফান্ডিং (ভিজিএফ) তহবিল দুই হাজার ৪১৩ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশ সরকার প্রদান করবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কাজ সমাপ্তির তারিখ কবে? 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে  আংশিকভাবে জনসাধারণের জন্য কখন উন্মুক্ত করা হয়? 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল দৈর্ঘ্য কত?

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সর্বোচ্চ কত গতিসীমা থাকবে? 

প্রকল্পটি নির্মাণের সুবিধার্থে কতটি ট্রাঞ্চে ভাগ করা হয়েছে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মোট কতটি টোল প্লাজা থাকবে? 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দৈনিক কতটি যানবাহন চলাচল করতে পারবে? 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কিলোমিটার  প্রতি কত খরচ হবে? এক্সপ্রেসওয়েতে মোট কতটি  র‍্যাম্প রয়েছে? 

বাংলাদেশ সরকার ভিজিএফ(VGF)হিসেবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে কত শতাংশ দেবে? 

Concession Period কত দিন? ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমি অধিগ্রহনের পরিমান কত? 

এক্সপ্রেসওয়ের জন্য সর্বনিম্ন টোল কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কি কি চলাচল নিষেধ? 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (টোল হার) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথম কে টোল প্রধান করেন?

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথম দিন কতটি যান চলাচল করে?

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথম দিন কত টাকা টোল আদায় হয়েছিল?

মাতারবাড়ি প্রকল্প সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

মাতারবাড়ির অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৬৫ কিলোমিটার (৩৪ নটিক্যাল মাইল) দূরে। এখন চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। মাদার ভেসেল হ্যান্ডেলিংয়ের সক্ষমতা নেই। লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে পন্য খালাস করতে হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে রপ্তানির ক্ষেত্রে পণ্য পাঠাতে হয় সিঙ্গাপুর কিংবা অন্য বন্দর হয়ে। মাতারবাড়ি হলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সময় ও ব্যয় দুটোই কমে যাবে। মাতারবাড়ি বন্দরের কারণে বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা। এরই মধ্যে বন্দরের চ্যানেল প্রস্তুত। প্রথম পর্বে জেটি, টার্মিনাল নির্মাণ, বন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জাহাজ কেনার কাজ চলমান। দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বন্দরকে যুক্ত করতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজও।

সরেজমিনে মাতারবাড়ি পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বোটক্লাব জেটি থেকে সকাল ১০টায় কোস্ট গার্ডের জাহাজে রওনা হয়ে মাতারবাড়ি পৌঁছাতে লাগে দুই ঘণ্টা। সমুদ্রের মধ্যে বয়াবাতি দিয়ে চিহ্নিত করা আছে চ্যানেলের শুরুটা। এরপর এগোলে চোখে পড়ে দুপাশে নির্মিত প্রতিরক্ষা বাঁধ (ব্রেক ওয়াটার)। উত্তর পাশের বাঁধ ধরে এগোলো অস্থায়ী জেটি। দক্ষিণ পাশের বাঁধের দিকে হবে মাতারবাড়ি বন্দর।

অস্থায়ী জেটিতে নেমে পূর্বদিকে এগোলে মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানেই চ্যানেলটি শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনেই কয়লার জাহাজ ভেড়ার জেটি। বাঁক নিয়ে পশ্চিম দিকে গেলেই বন্দর এলাকা শুরু। এখনো জায়গাটি লবণ উৎপাদনের ক্ষেত। প্রথমপর্বে যেখানে দুটি জেটি নির্মাণ করা হবে, সেই স্থানটি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে।

পূর্বদিকে বিশাল এলাকাজুড়ে চলছে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা ও টাউনশিপের কাজ। মাতারবাড়ি, মহেশখালী ও চকরিয়া এলাকা নিয়ে জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে বন্দরের সংযোগ সড়কের কাজও চলছে পুরোদমে।

কতটা এগোলো বন্দরের কাজ :
মাতারবাড়ি বন্দর ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বন্দরের জন্য ৮ হাজার ৯৫৫ কোটি এবং সড়কের জন্য ব্যয় হবে ৮ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। ১২ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা দেবে জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা)। বাকি টাকা সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হবে।

বন্দর নির্মাণের কাজ করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে মাতারবাড়ি বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের অধীনে পরিচালিত হবে। আর সংযোগ সড়কের কাজ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। সার্বিকভাবে কার্যক্রম তদারকি করছে জাইকা।

মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অংশের প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসান বলেন, ‘যেখানে জেটি হবে, সেখানে লাল পতাকা দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। পুরো জায়গাটা ড্রেজিং করা হবে। বন্দর নির্মাণে তিনটি ক্রয় কার্যক্রম হবে। সিভিল প্যাকেজের মাধ্যমে জেটি টার্মিনাল ইয়ার্ড এবং আনুষঙ্গিক ভবনাদি নির্মাণ হবে। প্যাকেজ-২ এর মাধ্যমে আমরা কার্গো হ্যান্ডেলিং যন্ত্রপাতি কিনবো। এর মধ্যে কি-গ্যান্টি ক্রেইন রয়েছে দুটি। মাল্টিপারপাস গ্যান্টিক্রেন আছে একটি, রাবার টায়ার্ড গ্যান্টিক্রেন ছয়টি, রিচ স্ট্যাকার দুটিসহ অন্য যন্ত্রপাতি রয়েছে। প্যাকেজ-২বি’র মাধ্যমে আমরা কয়েকটি বোট কিনবো। এর মধ্যে রয়েছে সার্ভে বোট, পাইলট বোট ও টাগবোট।’

তিনটি প্যাকেজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সিভিল প্যাকেজের কারিগরি মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। পাঠানো হয়েছে জাইকার অনাপত্তির জন্য। প্যাকেজ-২এ’রও কারিগরি মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। প্যাকেজ-২বি’র প্রথমবার আমরা কোনো দরপত্র পাইনি। পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আশা করি এপ্রিলের ১৭ তারিখ এর ড্রপিং হবে।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার এম আরিফুর রহমান বলেন, ‘মাতারবাড়িটা মূলত লবণের মাঠ ছিল। সেখান মানুষকে উচ্ছেদ করে বন্দর করতে হচ্ছে এমন নয়। মাত্র ৪০টি বাড়ি পড়েছে। তাদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবেচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ, এক্ষেত্রে সেটি নেই। নির্ধারিত সময়ই এটি চালু হবে। এরই মধ্যে মাতারবাড়ি বন্দরের ডিটেইল ডিজাইন হয়ে গেছে। ভূমি রি-সেটেলমেন্টের ইস্যুগুলোও নিষ্পত্তি হয়েছে।’

‘প্রথম পর্যায়ে ৭০০ মিটারের দুটি জেটি হবে। একটি টার্মিনাল হবে। প্রতিটি জেটিতে ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি জাহাজ ভিড়তে পারবে। ২০২৬ সালের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে দুপাশে চারটি করে আরও আটটি জেটি হবে।’

বন্দরের ১৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের চ্যানেল হয়ে গেছে জানিয়ে আরিফুর রহমান বলেন, ‘চ্যানেলটি সাড়ে ৩৫০ মিটার প্রশস্ত। গভীরতা হবে সাড়ে ১৮ মিটার। কুতুবদিয়া চ্যানেলের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে চ্যানেল শুরু হয়েছে। চ্যানেলের দুপাশে ব্রেক ওয়াটার (প্রতিরক্ষা বাঁধ) রয়েছে। উত্তর পাশে ৩ হাজার ৭০০ মিটার ও দক্ষিণ পাশে ২ হাজার ৬০০ মিটার।’

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) পাঁচ হাজার একর জায়গা নিয়েছে। বন্দরের জন্য এক হাজার ৩১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের সড়ক অংশের প্রকল্প পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘জাতীয় সড়কের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে মাতারবাড়ি বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে আমরা একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। সংযোগ সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার। রাস্তা হবে চার লেনের। ২৭ কিলোমিটারকে তিনভাগে ভাগ করে দরপত্র আহ্বান করেছি। তিনটি প্যাকেজে মোট সেতু রয়েছে ১৪টি, এর মধ্যে দুটি রেলওয়ে ওভারপাস।’

দরপত্রের কারিগরি মূল্যায়নের পর তা জাইকার কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘প্রকল্পের (সড়ক) মোট খরচ ৮ হাজার ৮২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাইকা দেবে ৬ হাজার ১৫০ কোটি এবং সরকার দেবে ২ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা। আমরা আশা করছি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে ফেলতে পারবো।’

নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা ২০২৬ সালে মাতারবাড়ি বন্দরের কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। শুরু করার প্রক্রিয়াগুলো এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে একটি গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রয়োজনীয়তা আছে। এটা প্রধানমন্ত্রী ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর থেকেই বলছেন। আমাদের বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চল ব্যবহার করতে পারছি না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে এ সমুদ্রসীমানাকে কাজে লাগাতে হবে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এখন দৃশ্যমান। আঞ্চলিক অন্য দেশও এ বন্দরটি ব্যবহার করতে পারবে।’

সম্ভাবনার হাতছানি :
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ‘মাতারবাড়ি চালু হলে জাহাজ ভাড়া তিনভাগের একভাগে নেমে যাবে। এটা হাব হলে এখান থেকে নতুন একটা সার্ভিস চালু হবে। সেটা হলো ফিডার সার্ভিস বিটুইন মাতারবাড়ি-পায়রা, মাতারবাড়ি-চট্টগ্রাম, মাতারবাড়ি-মোংলা অর্থাৎ, মাতারবাড়ি থেকে অন্য আঞ্চলিক বন্দরগুলোতে। যে পণ্যের জন্য আগে তিন হাজার ডলার ভাড়া লাগতো, মাতারবাড়ি হলে তা এক হাজারে নেমে যাবে।’

এখন প্রতিবছর আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের আকার ১২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর ১২ শতাংশও যদি ভাড়া ধরি সেক্ষেত্রে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভাড়ায় যায়। এ বন্দরটা আমাদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হবে, আমাদের অর্থনীতির জন্য সহায়ক হবে। আমাদের রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

‘কোথাও আমাদের ট্রান্সশিপমেন্ট চার্জ দিতে হবে না। স্বনির্ভর হবো। এখন ইউরোপে পণ্য পাঠাতে সিঙ্গাপুরে ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ১৪ দিন পথেই চলে যায়। মাতারবাড়ি চালু হলে সেটা আর থাকবে না।’

বিভিন্ন দেশে সরাসরি পণ্য পৌঁছানো গেলে সময় ও ব্যয় দুটোই কমবে জানিয়ে শাহজাহান বলেন, ‘তখন আমরা অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবো। সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে পারলে আমরা আরও বেশি অর্ডার পাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন কনটেইনার যখন চট্টগ্রাম বন্দরে আসে তখন চারদিন ফ্রি থাকে। এরপর ডিটেনশন চার্জ আরোপ করা হয়। সেটা আমরা পাই না, সেটা পায় এমএলওরা। জাহাজের ফিক্সড অপারেটিং কস্ট পায় ফিডার ভেসেল অপারেটরা। আমি যখন মাদার ভেসেল এখানে আনবো, তখন বেশি জাহাজও লাগবে না, জাহাজের সময়ও লাগবে না। সরাসরি জাহাজ আসবে, সরাসরি চলে যাবে। ডিটেনশন চার্জ ও ফিক্সড অপারেটিং কস্টের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বেঁচে যাবে আমাদের।’

প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসান বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প শেষ হলে আমরা আশা করছি ২০২৬ সালের পর দশমিক ৬ থেকে এক দশমিক ১ মিলিয়ন টিইইউএস (২০ ফুট সমমানের) পণ্য আনতে সক্ষম হবো প্রতি বছর। ২০৪১ সাল নাগাদ আমাদের টার্গেট ১ দশমিক ৪ থেকে ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন টিইইউএস আনা সম্ভব হবে।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার আরিফুর রহমান বলেন, ‘২০২৬ সালে এ বন্দর চালু করতে পারলে আমাদের সিঙ্গাপুর বা অন্য কোনো হাব পোর্টের ওপর নির্ভর করতে হবে না। এখান থেকে ১৮ মিটার ড্রাফটের জাহাজ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চলে যেতে পারবে। এতে আমাদের রপ্তানি খরচ অনেক কমে যাবে, কারণ সময় অনেক কমে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সিতুই, কলকাতার হলদিয়া, ভাইজাক, আন্দামানসহ বঙ্গোপসাগরের এ বেল্টে কোনো বন্দরে ১৬ মিটারের বেশি ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে না। এখানে যদি এ বন্দর হয়, এটি এখানকার রিজওনাল হাব হতে পারে।’

‘মাতারবাড়িতে বন্দর করতে যে বিনিয়োগ করা হবে তা ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে ফেরত আসবে। এখন চট্টগ্রাম বন্দর প্রতি বছর ৮০০ থেকে ৯০০ কোটি টাকা নিট লাভ করে। মাতারবাড়ি বন্দর অবকাঠামো নির্মাণে ৯ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে। সেটা ৭-৮ বছরের মধ্যে উঠে আসবে। প্রতি বছর এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা আয় হবে।’

এখন বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় কোনো পণ্য যেতে ৪৫ দিন লাগে জানিয়ে আরিফুর রহমান বলেন, ‘মাতারবাড়ি থেকে সরাসরি যেতে সময় লাগবে মাত্র ২৩ দিন। সময় কমলে খরচ কমবে। সবকিছু মিলিয়ে যদি বলি তাহলে মাতারবাড়ি প্রতি বছর আমাদের পাঁচ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তখন কলম্বো ও সিঙ্গাপুরের বন্দরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবো। বঙ্গোপসাগরের উত্তর বেল্টে যারা আসবেন তাদের অপশন একটাই, মাতারবাড়ি। কারণ আশপাশের কোনো বন্দরে এত বড় জাহাজ হ্যান্ডেল করতে পারে না। ভারত, নেপাল, ভুটানকে এ বন্দরকে ব্যবহার করতে হবে। কলকাতার হলদিয়া বন্দরে মাত্র সাড়ে ৭ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। খরচ যেখানে কম হবে স্বাভাবিকভাবেই সবাই সেখানে যাবে।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মাতারবাড়ি বন্দর হলে আমাদের সময় ও ব্যয় কমে যাবে। এটা আমাদের অর্থনীতিতে বিরাট প্রভাব ফেলবে। এখানে লবণ ক্ষেত ছিল। এখানে একটা স্মার্ট নগরী ও স্মার্ট বন্দর হচ্ছে। এখানকার স্মার্টনেস সিঙ্গাপুরকেও ছাড়িয়ে যাবে।’

কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, ‘এখানে আমরা লবণ চাষ করতাম, চিংড়ি উৎপাদন করতাম। এখন এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মানের পাশাপাশি পেশার পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনে এখানে সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর সমুদ্রবন্দরসহ ইকোনমিক জোন, পাওয়ার হাবসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলো হচ্ছে। কারিগরি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় করার চেষ্টা করছি। মানুষকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়িয়ে এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।’

‘এসব প্রকল্পের মাধ্যমে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ বা হতাশা ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনার পর তিনি বিশেষভাবে উদ্যোগ নেওয়ার কারণে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা পাচ্ছি। লোকজন একটা পর্যায় থেকে আরেকটা পর্যায়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে তারা নিজেদের অভ্যস্ত করে নিচ্ছে।’

সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ আরও বলেন, ‘এখানে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, যারা বেড়িবাঁধের ওপর ছিন্নমূলভাবে ছিল, তাদের সবাইকে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে। সেটি এখনো চলমান।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু হচ্ছে যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু সেতু। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু। বঙ্গবন্ধু সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরের ভূঞাপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জ জেলাকে সংযুক্ত করে। ১৯৯৮ সালে এর যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। যমুনা সেতু দক্ষিণ এশিয়ার ষষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু। শুরুতেই যমুনা সেতুর নাম থাকলেও পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু নাম পরিবর্তন করা হয়। ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর তারিখে যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন তারিখে যানবাহন চলাচলের জন্য সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। যমুনা সেতু নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

যমুনা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান
বাংলাদেশের যমুনা নদী উপর দিয়ে অবস্থান করছে যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু)। এটি বাঙ্গালীদের জন্য একটি অহংকার। আপনারা যারা এবছর বিসিএস কিংবা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন অথবা বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা যমুনা সেতু সম্পর্কে জেনে রাখতে পারেন। নিচে যমুনা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তরগুলো দেখে নিন।

যমুনা সেতু কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: যমুনা সেতু টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত।

কত সালে যমুনা সেতুর নির্মাণ শুরু করা হয়?
উত্তর: ১৯৯৪ সালে।

যমুনা সেতু নির্মাণকারী কোম্পানির নাম কি ছিল?
উত্তর: হুন্দাই।

যমুনা সেতু উদ্বোধন করেন কে?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেতু কোনটি?
উত্তর: যমুনা সেতু।

দক্ষিণ এশিয়ায় যমুনা সেতু কততম দীর্ঘতম সেতু?
উত্তর: ষষ্ঠ।

বিশ্বে যমুনা সেতুর অবস্থান কততম?
উত্তর: বিশ্বে ১১শ দীর্ঘতম সেতু।

যমুনা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
উত্তর: যমুনা সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।

যমুনা সেতুর প্রস্থ কত মিটার?
উত্তর: যমুনা সেতুর প্রস্থ ১৮.৫ মিটার।

ঢাকা থেকে যমুনা সেতু কত কিলোমিটার?
উত্তর: ঢাকা থেকে যমুনা সেতু প্রায় ৩২ কিলোমিটার।

যমুনা সেতুর মোট পিলার সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ৫০ টি।

যমুনা সেতুর মোট পাইল সংখ্যা কতটি রয়েছে?
উত্তর: ১২১ টি।

যমুনা সেতুতে কতটি স্প্যান বসানো হয়েছে?
উত্তর: ৪৯ টি।

যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ কবে শুরু হয়?
উত্তর: ১৯৯৪ সালের ১৫ অক্টোবর তারিখে।

যমুনা সেতু কবে উদ্বোধন করা হয়েছে?
উত্তর: ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন।

যমুনা সেতুর আয়ুষ্কাল কত বছর?
উত্তর: ১২০ বছর।

কোন সরকারের আমলে যমুনা সেতু নির্মাণ হয়েছিল?
উত্তর: আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

যমুনা সেতু নির্মাণ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর: হুন্ডাই হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ।

কত ডলারের বিনিময়ে হুন্ডাই হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ হাতে নেয়?
উত্তর: ৬৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

যমুনা সেতু বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: টাঙ্গাইল জেলার পশ্চিম পাশে এবং সিরাজগঞ্জ জেলার পূর্ব পাশে যমুনা সেতু অবস্থিত।

যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজে মোট কত টাকা ব্যয় হয়েছিল?
উত্তর: যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজে মোট ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল।

যমুনা সেতু কত লেন বিশিষ্ট?
উত্তর: যমুনা সেতু ৬ লেনের সড়ক, পথচারী রাস্তা ও বাইসাইকেল লেন রয়েছে।

সর্বপ্রথম যমুনা সেতু নির্মাণের দাবী কে উত্থাপন করেছিলেন?
উত্তর: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

যমুনা সেতু নির্মাণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে জাপান সরকারের সহায়তা চায়?
উত্তর: ১৯৭৩ সালে।

যমুনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কে?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কত সালে যমুনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন?
উত্তর: ১৯৯৪ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে।

২০২১-২২ অর্থ বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয় কত কোটি টাকা?
উত্তর: ৭ হাজার ৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

যমুনা বহুমুখী সেতু কর্তৃপক্ষের বর্তমান নাম কী?
উত্তর: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ ছাড়া অপর কয়টি দেশ যমুনা সেতু নির্মানে ব্যয় বহন করেছে?
উত্তর: তিনটি।

যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ কত তারিখে শেষ হয়?
উত্তর: ১৯৯৮ সালের ২৩ মার্চ তারিখে।

যমুনা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করে কত সালে?
উত্তর: ১৯৯৮ সালের ৪ জুলাই।

যমুনা সেতু দিয়ে উত্তরাঞ্চলের সাথে ঢাকার সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু হয় কবে?
উত্তর: ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট।

বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতুর নাম কি?
উত্তর: বাংলাদেশের সবেচেয়ে বৃহত্তম সেতু হলো পদ্মা সেতু।

যমুনা সেতুর নির্মাণ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৯৪ সালের ১৬ অক্টোবর।

কত সালে যমুনা সেতুতে ফাটলের দেখা দেয়?
উত্তর: ২০০৮ সালে।

বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
যমুনা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান নিয়ে আপনার মনে বেশ কিছু প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। তাহলে চলুন জেনে নেই সেই সকল প্রশ্নের উত্তর।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) নির্মাণ কাজে কত টাকা ব্যয় করা হয়েছিল?
যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) নির্মাণ কাজে কত টাকা ব্যয় হয়েছিল ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

যমুনা সেতু স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেয়া কত সালে?
যমুনা সেতু স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।

পায়রা সমুদ্র বন্দর সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

এক নজরে পায়রা সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম
পায়রা সমুদ্র বন্দরের অবস্থান
১।
বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত ।
পায়রা বন্দরের সুবিধা ও সম্ভাবনা
২।
পায়রা সমুদ্র বন্দরটি পটুয়াখালী উপজেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে পোতাশ্রয় মুখ থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার অভ্যত্মরে অবস্থিত। শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল। পায়রা বন্দরের প্রধান ভৌগলিক সুবিধা হলো স্বচ্ছন্দভাবে বন্দর প্রতিষ্ঠার জন্য এটি একটি উন্মুক্ত স্থান। বন্দর উন্নয়ন ও ভবিষ্যত সম্প্রসারণের জন্য পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিত্যক্ত জমি। সর্বজনীন ও অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অন্যান্য সহযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য নিকটবর্তী অঞ্চলে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্মুক্ত স্থান। যেসব সুবিধা পায়রা বন্দর থেকে পাওয়া যাবে তা নিম্ন রূপ ঃ
ক। সুপরিসর চ্যানেল। আউটার অ্যাংকরেজ থেকে রাবনাবাদ চ্যানেলে ঢোকার পথে পানির সর্বনিম্ন গভীরতা প্রায় ৫ মিটার। চ্যানেলের ভেতর এই গভীরতা ১৬ থেকে ২১ মিটার । চ্যানেলের ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় ড্রেজিং করা হলে জোয়ারের সময় ১৬ মিটার গভীর (চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৯.২ মিটার) এবং ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট জাহাজ (চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৮৬ মিটার) এখানে আসতে পারবে।
খ। বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলার সম্ভাবনা। প্রায় ৬ হাজার একর জায়গার ওপর গড়ে উঠছে সমগ্র পায়রা সমুদ্র বন্দর। এ বন্দরে তৈরী হচ্ছে কন্টেইনার, বাল্ক, সাধারণ কার্গো, এলএনজি, পেট্রোলিয়াম ও যাত্রী টার্মিনাল। সেই সাথে অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাক, ঔষধশিল্প, সিমেন্ট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, সার কারখানা, তৈল শোধনাগার ও জাহাজ নির্মাণশিল্পসহ আরো অনেক শিল্প কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে ।
গ। সার কারখানা। বর্তমানে চাহিদার ৩০ শতাংশ সার দেশেই উৎপাদন হয় । বাকি ৭০ ভাগ আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে। এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ হলে গ্যাসের মাধ্যমে এখানেই সার কারখানা চালু করা সম্ভব হবে।
ঘ।
নতুন কর্মসংস্থান। আমাদের বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ৫ ভাগ বেকার, ৪০ ভাগ প্রচ্ছন্নবেকার এবং ৪৯ ভাগের বাস দরিদ্রসীমার নীচে। গত ৪৩ বছরে আমাদের জনসংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ এবং এ হারে ২০২০ সাল নাগাদ তা হবে ২০ কোটির ওপর। 

পায়রা সমুদ্র বন্দর প্রকল্প বাত্মবায়নের ফলে ইপিজেড, এসইজেড, জাহাজ নির্মাণ এবং মেরামতি খাতে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে । নতুন শিল্প এলাকা গড়ে ওঠার সুবাদে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বরিশাল, পটুয়াখালি এবং ভোলা জেলার অধিবাসীরা।
ঙ । জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রসার। পোশাক শিল্পের পর সবচেয়ে গতিশীল হচ্ছে জাহাজ নির্মাণ শিল্প। ছোটোখাটো শতাধিক জাহাজ নির্মাণ কারখানা রয়েছে দেশে। বিশ্বজুড়ে জাহাজশিল্পে প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলারের বাজারে বাংলাদেশের দখল মাত্র ৪ শ কোটি ডলার । এ শিল্পখাতে অচিরেই আমরা হয়ে উঠতে পারি বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা রফতানিকারক। এ শিল্পখাতের অন্যতম সমস্যা চ্যানেলের স্বল্প গভীরতা। পায়রা বন্দর চালু হলে তুলনামূলক গভীর রাবনাবাদ চ্যানেলের সুবিধা নিতে অনেকেই তাদের শিল্প স্থাপনা সরিয়ে আনবেন এখানে ৷
চ।
বিদ্যুৎ উৎপাদন। ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হতে চাই আমরা। অতএব বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এ লগ্যেই উপকূলীয় এলাকায় ৫/৬ টি কয়লাচালিত বিদ্যুৎ স্থাপনা গড়ে তুলছে সরকার। ইতোমধ্যে পায়রা বন্দরে একটি ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক পাওয়ার পস্ন্যান্ট নির্মাণের লড়েগ্য চীনা কোম্পানির সাথে যৌথ উদ্যোগে এ কাজে হাত দিয়েছে নর্থওয়েস্ট নামে একটি কোম্পানি। কয়লা আনলোড করার জন্য একটি কয়লা টার্মিনাল নির্মাণ হচ্ছে পায়রা বন্দরে। এসব কার্যক্রমের ফলেও বিপুল রাজস্ব আয়ের সুযোগ তৈরি হবে এখানে ।
ছ।
দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোয় খাদ্যশস্য সরবরাহ। সড়কপথের তুলনায় নৌপথে যাতায়াত ও মালামাল সরবরাহ অধিকতর সহজ ও সাশ্রয়ী। বরিশাল হয়ে খুলনা এবং মাদারিপুর অঞ্চলে সিমেন্টের ক্লিংকার এবং খাদ্যশস্য সরবরাহে গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে এই পায়রা বন্দর ।
জ। ট্রানজিট সুবিধা এবং ইকোনমিক করিডোর। সমুদ্রের তীরবর্তী হবার কারণে পূর্ণাঙ্গ বন্দর হিসেবে গড়ে ওঠার পর প্রতিবেশি দেশগুলো ট্রানজিট সুবিধা গ্রহণ করতে আগ্রহী হবে । পাশাপাশি, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত এবং চীনের সমন্বিত উদ্যোগে দড়িগণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে গড়ে উঠছে ইকোনমিক করিডোর। ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধার কারণে সমুদ্রপথে সিল্করম্নটের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ণ বন্দর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে এ পায়রা বন্দরের ।
ঝ। বস্তু ইকোনমি। ১৯ টি দেশের ৩২ জন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি নিয়ে ঢাকায় বসু ইকোনমির উপর এক সম্মেলন হয় ২০১৪ সালে। এখানে ভাষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গোপসাগরকে আমাদের তৃতীয় প্রতিবেশি হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সমুদ্রপথে ব্যবসার পরিধি বিস্মার, সাগরের খনিজ সম্পদ কাজে লাগিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন, সামুদ্রিক মাছের যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্র পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরার মাধ্যমেই সুনিশ্চিত হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অগ্রগতি ।
বস্তু ইকোনমির সম্ভাবনা সমূহকে কাজে লাগনো হলে দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়বে, পরিবেশ ভারসাম্য বজায় থাকবে, বিপর্যয় ও দুর্যোগ প্রতিরোধ হবে। 

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে গুরুপ্তপুর্ন প্রশ্ন ও উত্তর

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে প্রশ্ন উত্তর, সাধারণ জ্ঞান, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট a to z জেনে নিন: বাংলাদেশের স্যাটেলাইটের নাম হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের এই একটি মাত্র স্যাটেলাইট রয়েছে। অনেকেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। আবার অনেকেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে প্রশ্ন উত্তর জানতে চান। এই পোস্টে আমি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান আলোচনা করব। আপনারা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে সকল প্রশ্ন উত্তর জানতে পারবেন। তাহলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সম্পর্কে জেনে নিন –

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের স্যাটেলাইট এখন কোথায়?
উত্তরঃ‌ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫৭০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যাওয়ার পর রকেটের স্টেজ ১ অংশ থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ৩৬০০০ কিলোমিটার উপর থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি প্রায় ৩.৭ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর কাজ কি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ হচ্ছে টিভি চ্যানেলগুলোর স্যাটেলাইট সেবা নিশ্চিত করা। ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সাহায্যে তৈরি করা যাবে। এছাড়াও যেসব জায়গায় অপটিক কেবল বা সাবমেরিন কেবল পৌছায়নি সেসব জায়গায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সাহায্যে ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত হতে পারে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পরিচালনা করে ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠান।

আরো পড়ুনঃ যমুনা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান.

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নাম – বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোথায় থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
উত্তরঃ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত নাসার জন এফ কেনেডি স্পেস সেন্টার কমপ্লেক্সের ৩৯এ লঞ্চপ্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ হয়?
উত্তরঃ ১১ মে ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ কোন দেশের তৈরি?
উত্তরঃ ফ্রান্সের থ্যালিস অ্যালেনিয়া স্পেস কর্তৃক নকশা ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ তৈরি করা হয়েছে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কবে উৎক্ষেপণ করা হয়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১১ মে ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট যুক্তরাষ্ট্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কয়টি গ্রাউন্ডস্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের পর এটি নিয়ন্ত্রণ করতে গাজীপুরের তেলীপাড়া ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন কয়টি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন দুটি।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম কি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম থ্যালিস অ্যালেনিয়া স্পেস।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কত তারিখে উৎক্ষেপণ হয়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১১ মে তারিখে উৎক্ষেপণ হয়।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট কততম দেশ?
উত্তরঃ বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট ৫৭ তম দেশ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে?
উত্তরঃ বাংলাদেশ ৫৭ তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মেয়াদ কত বছর?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মেয়াদ ১৫ বছর।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে কত সালে প্রেরণ করা হয়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে ২০১৮ সালে প্রেরণ করা হয়।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বহনকারী রকেটের নাম কি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বহনকারী রকেটের নাম হচ্ছে – Falcon 9

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ট্রান্সপন্ডার কতটি?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ট্রান্সপন্ডার 40 টি।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অরবিটাল অবস্থান কোথায়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অরবিটাল অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

প্রশ্নঃ কবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়?
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান
প্রশ্ন : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় কবে?
উত্তর : ১১ মে ২০১৮ (বাংলাদেশ সময় ১২ মে ২০১৮)

প্রশ্ন : নির্মাতা বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
উত্তর : Thales Alenia Space

প্রশ্ন : উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
উত্তর : SpaceX

প্রশ্ন : স্যাটেলাইট বহনকারী রকেটের নাম কী?
উত্তর : Falcon9

প্রশ্ন : স্যাটেলাইট পরিচালনা করবে কোন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর : বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লি. (BCSCL)

প্রশ্ন : স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন কতটি ও কী কী
উত্তর : ২টি– গাজীপুরের তালিবাবাদ ও রাঙামাটির বেতবুনিয়া

প্রশ্ন : স্যাটেলাইটের ট্রান্সপন্ডার কতটি? উত্তর : ৪০টি। এর মধ্যে ১৪টি ‘সি’ ব্যান্ডের (C-band) এবং ২৬টি ‘কে-ইউ’ ব্যান্ডের (Ku-band)

প্রশ্ন : স্যাটেলাইটের অরবিটাল অবস্থান কোথায়?
উত্তর : ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

প্রশ্ন : স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন কতটি ও কী কী?
উত্তর : ২টি— সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র গাজী এবং সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র বেতবুনি

ভিডিওতে দেখুন: বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান ।Bangabandhu-1 satellite


সাধারণ জ্ঞান (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১) প্রশ্ন এবং উত্তর
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
১.’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ বহনকারী রকেটের নাম –
→ ফ্যালকন-৯।

২. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর মেয়াদকাল-
→ ১৫ বছর।

Also read :সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান ২০২১ – অতি সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান ২০২১
৩. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ নিজস্ব কক্ষপথে পৌঁছে –
→ ২১ মে ২০১৮।

৪.মহাকাশে ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর অবস্থান –
→ ১১৯.১০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

৫. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর ট্রান্সপন্ডার রয়েছে –
→ ৪০টি।

৬.বাংলাদেশ ব্যবহার করবে –
→ ২০টি ট্রান্সপন্ডার।

৭.বাংলাদেশ ভাড়া নিতে পারবে –
→ ২০টি ট্রান্সপন্ডার।

৮. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ বাংলাদেশ বুঝে পায় –
→ ৯ নভেম্বর ২০১৮।

৯. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় –
→ ১ অক্টোবর ২০১৯।

১০. ’বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ মূল অবকাঠামো তৈরী করে –
→ ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থা ‘থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস’।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ সম্পর্কিত তথ্য
বাংলাদেশ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তার দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। ১২ মে ২০১৮ সালে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে, বাংলাদেশ স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবের ৫৭ তম সদস্য হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।

স্যাটেলাইটটি পৃথিবী থেকে ৩৬,০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থি। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে পরিষেবা প্রদান করে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ অপটিক্যাল ও রাডার ইমেজ ও অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে পৃথিবী পর্যবেক্ষণে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

বাংলাদেশী নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিরাপত্তা চিত্র প্রয়োজন যা বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ নয়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ সেই প্রক্রিয়া সহজ করবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ শুধুমাত্র বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হবে না। এটি চর এবং উপকূলীয় সাইট সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে কভার করবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে রাশিয়ান কোম্পানি গ্লাভকোসমসের সাথে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নামে পরিচিত, উভয় পক্ষই বিস্তারিত প্রযুক্তিগত বিষয়ে কাজ করবে এবং আর্থিক সমস্যা এমওইউ স্বাক্ষরের মুহূর্ত থেকে কার্যকর হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বৈধ থাকবে।

চাকরির পরীক্ষায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে যেসব প্রশ্ন হতে পারে
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পরিচিতি : নাম : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। এটি একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট বা ভ‚স্থির উপগ্রহ। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। তবে জেনে রাখা ভালো যে, বাংলাদেশে প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর ২০০৯ সালে জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালায় রাষ্ট্রীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট কোম্পানি : মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনার জন্য ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়।

নির্মাণ : বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। এটির নির্মাণ শেষ হয় ২০১৮ সালের ৩০ মার্চ। নির্মাণ, পরীক্ষা, পর্যালোচনা ও হস্তান্তর শেষে বিশেষ কার্গো বিমানে করে সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেইপ কেনাভেরালের লঞ্চ সাইটে পাঠায় থ্যালেস অ্যালেনিয়া। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর ওজন তিন হাজার কেজি।

অর্থায়ন : শুরুতে বাজেট ধরা হয় ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ২৭৬৫ কোটি টাকায় এ পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। এর মধ্যে ১৩১৫ কোটি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আর ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিয়েছে হংক সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি)ব্যাংক। এটি একটি বহুজাতিক ব্যাংক।

যা আছে : এই স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার আছে। যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। আর বাকি ২০টি ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।

কক্ষপথ কেনা : স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ এবং তা কক্ষপথে রাখার জন্য রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনা হয়। মহাকাশে এই কক্ষপথের অবস্থান ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে প্রায় ২১৯ কোটি টাকায় ১৫ বছরের জন্য এই কক্ষপথ কেনা হয়।

স্যাটেলাইটের ফুটপ্রিন্ট : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ফুটপ্রিন্ট বা কভারেজ হবে ইন্দোনেশিয়া থেকে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত। শক্তিশালী কেইউ ও সি ব্যান্ডের মাধ্যমে এটি সবচেয়ে ভালো কাভার করবে পুরো বাংলাদেশ, সার্কভুক্ত দেশসমূহ, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়। এর মধ্যে গাজীপুরের তেলীপাড়ায় টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজ সংলগ্ন এলাকায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রাইমারি গ্রাউন্ড স্টেশনটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এটিই মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের। আর রাঙ্গামাটির গ্রাউন্ড স্টেশনটি গাজীপুরে স্থাপন করা গ্রাউন্ড স্টেশনের বিকল্প।

উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান ও উৎক্ষেপণকারী রকেট : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর কাজ করে মার্কিন রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ে উড়াল দেয় ‘ফ্যালকন-৯’ রকেট।

মহাকাশে বাংলাদেশ : স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ স্থগিত : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রথমে ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণের কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ইরমার কারণে এর উৎক্ষেপণ স্থগিত করা হয়। এরপর ২০১৮ সালের ১০ মে (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা ৪৭ মিনিটে উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু উৎক্ষেপণের ৪২ সেকেন্ড আগে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ স্থগিত করা হয়। স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রকেট ও পে লোড ভালোই আছে। কিন্তু কিছু কারিগরি ত্রুটির কারণে তা উৎক্ষেপণ করা যায়নি। পরে ব্যাকআপ ডেতে (পরের দিন) উৎক্ষেপণের দিন নির্ধারণ করা হয়।

সফল উৎক্ষেপণ : উৎক্ষেপণের তারিখ হচ্ছে-১২ মে ২০১৮। বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৪ মিনিট।

উৎক্ষেপণ স্থান : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সুবিধাসমূহ : বর্তমানে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এজন্য বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালুর ফলে অনেকাংশেই কমে আসবে এ ব্যয়। একই সঙ্গে দেশের টাকা থেকে যাবে দেশেই। আয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা।

টেলিভিশন চ্যানেল ছাড়াও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও বেতারসহ ৪০ ধরনের সেবা পাওয়া যাবে এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।

যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে টেরিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পরিবেশ যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ই-সেবা নিশ্চিত করবে।

এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস, টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-রিসার্চ, ভিডিও কনফারেন্স প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।

এ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে নেপাল, মিয়ানমার, ভুটান ও অন্যান্য দেশের কাছে সেবা ভাড়া দিতে পারবে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা যাবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট (বিস্তারিত জানুন
বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট হলো বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। এটি ২০১৮ সালের ১১ মে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নিয়ে আমাদের বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন আছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে কোন প্রতিষ্ঠান,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ এর কাজ ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান ইত্যাদি। আপনার যদি উপরোক্ত এগুলো প্রশ্ন থাকে। তাহলে অবশ্যই আজকের আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়বেন। কারণ আজকের আর্টিকেলে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট

বিএসসিএল চেয়ারম্যান শাজাহান মাহমুদ জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ হাইব্রিড স্যাটেলাইট হতে পারে। এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে। তবে এখনো যেহেতু ধরনটি ঠিক হয়নি, তাই দ্বিতীয় স্যাটেলাইটে কত খরচ হবে, এটি এখনো অজানা।

তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কখন আকাশে উত্থাপন করা হবে তার একটি নির্দিষ্ট সময় বলে দেয়া হয়েছে। মূলত ২০২৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ আকাশের উৎক্ষেপণ করা হবে। এর আগে ২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। এতে বাংলাদেশের খরচ হয় ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ এর কাজ

বাংলাদেশ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তার দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। যেহেতু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নতুন একটি স্যাটেলাইট। সে ক্ষেত্রে আমাদের এটা নিয়ে বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম একটি প্রশ্ন হল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ এর কাজ কি।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ হাইব্রিড স্যাটেলাইট হতে পারে। এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ মূলত আবহাওয়া,নজরদারি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল কাজে ব্যবহার করা হবে।

এছাড়াও যদি কোন খারাপ আবহাওয়া আসে সেক্ষেত্রে তার সংকেত দিতে সাহায্য করবে এই স্যাটেলাইট। এছাড়াও দেশের নিরাপত্তা প্রায় সকল কাজে ব্যবহার করা যাবে বঙ্গবন্ধুর ২ স্যাটেলাইট। বঙ্গবন্ধু শেখ স্যাটেলাইটের চেয়ে বঙ্গবন্ধুর দুই স্যাটেলাইট বেশি কাজে ব্যবহার করা যাবে।

বঙ্গবন্ধু দুই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য রাশিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্লাভকসমসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্প্রতি প্রায় দুই লাখ মার্কিন ডলার মূল্যে এ চুক্তি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

যেহেতু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ হাইব্রিড স্যাটেলাইট। সেক্ষেত্রে এর খরচ ও কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে। এই কারণে সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। তাহলে আপনি এই স্যাটেলাইটের কার্যকারিতা নিজ চোখে দেখতে পারবেন এবং ইতিপূর্বের অনুচ্ছেদেও আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট এ সম্পর্কে আলোচনা করেছি।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে তথ্য

আমরা সবাই জানি, আমাদের দেশের সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ করা হয়। যা আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো করে নি। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি করার। এইজন্য তারা রাশিয়ার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্লাভকসমসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।

উক্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্প্রতি প্রায় দুই লাখ মার্কিন ডলার মূল্যে এ চুক্তি হয়েছে। রাশিয়ার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ প্রতিষ্ঠান গ্লাভকসমস ইতিমধ্যে এই স্যাটেলাইটের কাজ শুরু করে দিয়েছে। তারা আশা করেন যে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ আকাশের উৎক্ষেপণ করবেন।

যা আমাদের বাংলাদেশের জন্য আরো একটি গৌরবময় অর্জন। রাশিয়া দেশের সাথে মূলত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ ও নির্মাণ কাজের জন্য চুক্তি করা হয়েছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের জন্য রাশিয়ার গ্লাভকসমসের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। রাশিয়ার মহাকাশ বিষয়ক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্লাভকসমসের সঙ্গে স্যাটেলাইট তৈরি করব।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে কোন প্রতিষ্ঠান

আশাকরি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট এ সম্পর্কে পূর্বের অনুচ্ছেদে আপনি ধারণা পেয়েছেন। আমরা সবাই জানি,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি করার ঘোষণা এসেছে । মূলত ২০২৩ সালের মধ্যে এটি তৈরি করার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তবে স্যাটেলাইট নিয়ে আমাদের বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন রয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন হল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে কোন প্রতিষ্ঠান।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে রাশিয়ার গ্লাভকসমস। গ্লাভকসমসের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। রাশিয়ার মহাকাশ বিষয়ক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্লাভকসমসের সঙ্গে স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ বিষয়ে সহযোগিতা স্মারক সইয়ের মধ্য দিয়ে আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির এই স্যাটেলাইটটির নির্মাণ পর্ব শুরু হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এটি তৈরি করার জন্য রাশিয়ার বিখ্যাত গ্লাভকসমসের সঙ্গে সমঝোতা করা হয়েছে। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নির্মাণ করবে রাশিয়া। শুধু নির্মাণ কাজ নয় উৎক্ষেপণ করার কাজে গ্লাভকসমসের কোম্পানি সহযোগিতা করবে।

গ্লাভকসমসের মহাপরিচালক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের জন্য আনন্দিত বলে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ এটা থেকে বোঝা গেল যে মূলত রাশিয়া দেশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ করা হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান

বিশেষ পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রায় সকল ধরনের চাকরি পরীক্ষায় সাম্প্রতিক সময় ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞানে অনেক প্রশ্ন আসে। এই কারণে আপনাকে অবশ্যই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান গুলো পড়তে হবে। অর্থাৎ আপনার যদি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান আগে থেকে জানা থাকে। তাহলে আপনি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবেন। চলুন দেখে নেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ সম্পর্কেও সাধারণ জ্ঞান গুলো দেখে নেই।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কি ধরনের স্যাটেলাইট?

উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ হাইব্রিড স্যাটেলাইট

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ এর কাজ কি?

উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ আবহাওয়া, নজরদারি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা হবে।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ প্রতিষ্ঠান?

উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করবে রাশিয়ার গ্লাভকসমস।

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কবে উৎক্ষেপণ করা হবে?

উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২,২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হবে। (তারিখ পরিবর্তন হতে পারে)

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কবে উৎক্ষেপণ করা হবে?

উত্তরঃ ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও ব্যবহার শুরু হবে

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ কত সালে উৎক্ষেপণ করা হয়?

উত্তরঃ ২০২৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ করা হয়।

বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা ও বিসিএস বিগত সনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারন জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর 

◾বিশ্ব ব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট -অজয় বাঙ্গা
◾সার্কের বর্তমান মহাসচিব-গোলাম সারওয়ার
জাতিসংঘের প্রথম নির্বাচিত মহাসচিব -ট্রিগভ্যালি (নরওয়ে
বর্তমান মহাসচিব -আন্তোনিও গুতেরেস (৯ম, পর্তুগাল)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন - উথান্ট ( মিয়ানমার) 


বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কোন দেশ চাঁদের  দক্ষিণে অবতরণ করে?
=ভারত
বর্তমানে  খাদ্য আমদানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশ- চীন ( বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়
রপ্তানিতে শীর্ষ আমেরিকা

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে-চীন থেকে
বাংলাদেশ জাতিসংঘের -১৩৬ তম সদস্য
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদান করে -১৯৮৮ সালে

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস -১০ ডিসেম্বর 
 ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ - যুক্তরাষ্ট্র 
 ফিলিস্তিনকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে -আলজেরিয়া 
 ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের তথা আরব দেশ - মিশর 
 ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ - তুরস্ক 
 হামাস কোন দেশের সংগঠন? - ফিলিস্তিন 
 নেসেট কোন দেশের পার্লামেন্ট -ইসরাইল 

চাঁদে সফলভাবে নভোযান পাঠানোয় পঞ্চম দেশ কোনটি?  - জাপান।
অক্সফামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ধনী কে? - ইলন মাস্ক।

জাতিসংঘে নারী পুলিশ সদস্য প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি? -  বাংলাদেশ

আয়তনে এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ - চীন
জনসংখ্যায় এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ - ভারত 
জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ - ভারত 
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম রাষ্ট্র - কাজাকিস্তান
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মুসলিম রাষ্ট্র -মালদ্বীপ
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ - রাশিয়া
আয়তনে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড়  দেশ - রাশিয়া 

আয়তনে ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ - রাশিয়া 

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম রাষ্ট্র - ইন্দোনেশিয়া 

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মুসলিম রাষ্ট্র - মালদ্বীপ 

বাংলাদেশে সংবিধান কার্যকর হয় -১৯৭২ সালে
বাংলাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয় -১৯৭২ সালে
প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় -১৯৭৪
বাংলাদেশ জাতিসংঘ সদস্যপদ লাভ করে -১৯৭৪ সালে
বাংলাদেশ ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে -১৯৭৪ সালে
বাংলাদেশ ফিফার সদস্যপদ লাভ করে -১৯৭৪ সালে
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -৭ মার্চ ১৯৭৩
দেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় -১৯৭৪ সালে
দেশের সর্বশেষ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় -২০২২ সালে
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় -২০১২ সালে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জুলিও কুরি পদক গ্রহণ করেন - ২৩ মে ১৯৭৩
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে প্রথম বাংলা ভাষণ প্রদান করেন -২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি উপাধি প্রদান করে - যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ম্যাগাজিন নিউজ উইক (৫ এপ্রিল ১৯৭১
🖊️বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় -১০  এপ্রিল ১৯৭১
🖊️মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে -১৭ এপ্রিল ১৯৭১
✒️বঙ্গবন্ধু কত সালে প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত হন? 
ক.১৯৪৮ খ.১৯৫৪ ✅
গ.১৯৬৬ ঘ.১৯৭১
✴️ বার্লিনের দেয়াল কত সালে নির্মিত হয়েছিল? 
➖ ১৯৬১ সালে
✳️ জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে -
➖ ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে
🌸বয়স 🌸👇👇👇
📝প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স -২৫ বছর
📝রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স -৩৫ বছর
📝সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স -২৫ বছর
📝ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স -১৮ বছর
📝সুপ্রিম কোর্টের  বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স -৬৭ বছর
📝পিএসসির মেম্বার চেয়ারম্যানদের অবসর গ্রহণের বয়স -৬৫ বছর
📝বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অবসর গ্রহণের বয়স -৬৭ বছর 
✴️রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান -স্পিকার 
✳️স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান-রাষ্ট্রপতি 
🚾সংবিধান রিভিউ 🚾👇👇👇👇
📝সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সংখ্যা -১৮ টি
📝বিদেশি নাগরিকগণ মৌলিক অধিকার ভোগ করতে পারে -৬ টি
📝আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান এটি রয়েছে-২৭ নং অনুচ্ছেদে।  
📝 নারী পুরুষের সমান অধিকার - ২৮(২)
📝গ্রেপ্তার ও আটক  সম্পর্কে রক্ষাকবচ -৩৩
📝চলাফেরার স্বাধীনতা -৩৬
📝মত প্রকাশের স্বাধীনতা -৩৯
📝পেশা ও কাজের স্বাধীনতা -৪০
📝ধর্মীয় স্বাধীনতা -৪১
📝রাষ্ট্রভাষা বাংলা -৩ নং অনুচ্ছেদ
📝রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম -২ক নং অনুচ্ছেদ
📝জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ -৪ক নং অনুচ্ছেদ 
📝বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন - ৬(২) 
📝সংবিধানের চারটি মূলনীতির কথা উল্লেখ আছে - ৮ নং অনুচ্ছেদে 
📝মৌলিক চাহিদার কথা উল্লেখ আছে -১৫ নং অনুচ্ছেদে 
📝পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা উল্লেখ আছে-১৮ ক নং অনুচ্ছেদে 
📝নাগরিকের কর্তব্যের কথা উল্লেখ আছে -২১ নং অনুচ্ছেদে 
📝বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার কথা উল্লেখ আছে - ১৭ নং অনুচ্ছেদে 
📝উপজাতিদের  কথা উল্লেখ আছে -২৩ ক নং অনুচ্ছেদে 
📝নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা উল্লেখ আছে -২২ নং অনুচ্ছেদ 
📝বিদেশ নীতি বা পররাষ্ট্রনীতির কথা বলা হয়েছে -২৫ নং অনুচ্ছেদে 
⚜️বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প " গঙ্গা - কপোতাক্ষ " 
⚜️বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প -"তিস্তা বাঁধ প্রকল্প "
⚜️তিস্তা বাঁধ বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। 
🚾 EPZ (Export Processing Zone)👇👇👇👇
👉 বাংলাদেশের মোট ইপিজেড -১০ টি।
👉 সরকারি ইপিজেড- ৮টি।
👉 বেসরকারি ইপিজেড - ২ টি ( রাঙ্গুনিয়া ও করিয়ান ইপিজেড)
👉 কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড  (নীলফামারী) 
 👉 বাংলাদেশের প্রথম  ইপিজেড - চট্টগ্রাম ইপিজেড ( প্রতিষ্ঠা-১৯৮৩)
👉 বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড - ঢাকা ইপিজেড।
👉 ইপিজেড চালু শিল্পের মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হচ্ছে-  পোশাক শিল্পে।
👉 EPZ নিয়ন্ত্রিত সংস্থার নাম --BEPZA (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)।
 👉 BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮০ সালে।
 👉 BEPZA - Bangladesh Export Processing Zone Authority.
👉 বর্তমানে নির্মাণাধীন ইপিজেড ৩ টি-  গাইবান্ধা, যশোর ও পটুয়াখালীতে।
👉 দেশের বৃহত্তম ইপিজেড নির্মিত  হবে-  পটুয়াখালীতে 
🚾উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
▪️ আম - রাজশাহী 
▪️ পাট - ফরিদপুর 
▪️ মাছ- ময়মনসিংহ 
▪️ তামাক- কুষ্টিয়া 
▪️ আনারস- টাঙ্গাইল
৭_মার্চের_ভাষণ_সম্পর্কে_খুঁটিনাটি 🔥🔥
🔥বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে মোট সংখ্যা ছিলো কত?
✅১১০৮ টি।
🔥বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কত মিনিটের ছিল?
✅প্রায় ১৮ মিনিট।
🔥ঐতিহাসিক ৬ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কত তারিখ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন?
✅৩০ অক্টোবর ২০১৭। 
🔥৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু কয় দফা দাবি পেশ করেছেন?
✅৪ দফা।
🔥৭ মার্চের ভাষণ এপর্যন্ত  কতটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
✅১৯ টি ভাষায়।
🔥৭ মার্চেকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
✅২০২০ সালে।
🔥৭ মার্চের ভাষণকে সংবিধানের কত নং তফসিলে স্থান দেওয়া হয়??
✅পঞ্চম তফসিল।
#বঙ্গবন্ধু_শেখ_মুজিবুর_রহমানের_যত_উপাধি:
◼️ উপাধি: বঙ্গবন্ধু।
উপাধিদাতা: তোফায়েল আহমেদ। 
তারিখ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯।
স্থান: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান(পূর্বতম রেসকোর্স ময়দান)।
◼️ উপাধি: জাতির জনক।
উপাধিদাতা: আ.স.ম আব্দুর রব।
তারিখ: ৩ মার্চ ১৯৭১।
স্থান: পল্টন ময়দান, ঢাকা
সাংবিধানিক স্বীকৃতি: পঞ্চদশ সংশোধনী(অনু-৪/ক)
◼️ উপাধি: Poet of Politics (রাজনীতির কবি)।
উপাধিদাতা: নিউজ উইক ম্যাগাজিন।
উপাধিদাতা সাংবাদিক: লোরেন জেঙ্কিস।
তারিখ: এপ্রিল ১৯৭১।
◼️ উপাধি: বিশ্ববন্ধু
উপাধিদাতা: বিশ্ব শান্তি পরিষদ
তারিখ: ২৩ মে ১৯৭৩
(জুলিও কুরি পুরস্কার নেওয়ার সময়)
◼️ উপাধি: হাজার বছরের/সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি
উপাধিদাতা: বিবিসি
তারিখ: ২৬ মার্চ ২০০৪
(বিবিসির স্রোতা জরিপে)
◼️ উপাধি: Friends of the world (বিশ্ববন্ধু)
উপাধিদাতা: জাতিসংঘের বৈশ্বিক কূটনীতিকরা
তারিখ: ১৪ এপ্রিল ২০০৮
(বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকীতে)
🔳হিমালয়তুল্য:
উপাধিদাতা: ফিদেল কাস্ত্রো।
তারিখ/সাল : ১৯৭৩
স্থান: আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স। (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর আবেগতাড়িত উপমা- 'আমি হিমালয় দেখিনি, তবে আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি।)
💥💥 সাম্প্রতিক জিকে----
▪️ পারমাণবিক বিদ্যুতে ৩৩ তম
▪️ মেট্রোরেলে ৬০তম (এশিয়াতে ২২তম)
▪️ সাবমেরিনে ৪১ তম
▪️ স্যাটেলাইটে ৫৭ তম দেশ
▪️ বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?-১১৫৩
▪️ পদ্মা সেতুর ডিজাইনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কি? -AECOM.
✅✅লোগো ডিজাইনারঃ
★ মুজিববর্ষের লোগো ডিজাইনার- সব্যসাচী হাজরা। 
★ শাহজালাল বিমানবন্দর ৩য় টার্মিনালের ডিজাইনার- রোহানি বাহরিন ( সিঙ্গাপুর) 
★ কক্সবাজারের রেল স্টেশন ডিজাইনার-  মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ (বুয়েট) 
▪️ মেট্রোরেল লোগো ডিজাইনার - আলী আহসান নিশান (ঢাবি)
▪️ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (ICH) -৫টি 
সর্বশেষ: ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র। স্বীকৃতি প্রদান তারিখ: ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ 
▪️ স্থলবন্দর- ২৪টি
 দেশের সর্বশেষ (২৪তম) স্থলবন্দর— ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর (কোম্পানিগঞ্জ, সিলেট)।
▪️ গ্যাসক্ষেত্র -২৯টি 
ইলিশা-১ ( ভোলা)। সন্ধানের তারিখ: ২৮ এপ্রিল ২০২৩ 
▪️ নদী বন্দরের সংখ্যা -৪৬ 
সর্বশেষ: রাজশাহীর জেলার সুলতান গন্জ।
▪️ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের জেলা -৪৮টি। সর্বশেষ: কক্সবাজার জেলা। যুক্ত হওয়ার তারিখ: ১১ নভেম্বর'২৩
▪️ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী -৫০টি।
বৃহত্তম: চাকমা, ক্ষুদ্রতম: ভিল
▪️ বঙ্গবন্ধু টানেলের ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা কত?- ৯ 
▪️ বঙ্গবন্ধু কত তম ব্যক্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডক্টর অফ লজ' উপাধি পেয়েছেন?- ৫৩ তম।
▪️ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব টানেল তৈরি করতে কোন দেশ সহায়তা করে?- চীন।. 
▪️ মারমা উপজাতিরা গ্রামকে কি বলে ডাকে?-- রোয়া।
▪️ দেশে প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব‍্যবস্থাপনা চালু হয় কোথায়?-- চট্টগ্রাম। 
▪️ নিঝুম দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?--  মেঘনা।
▪️ দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা -১৫৩টি।
▪️ দেশের ১ম সরকারি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত- কাপ্তাই, রাঙামাটি। 
★ দেশের সর্ববৃহৎ বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত- কক্সবাজার। 
★ বাংলাদেশের রামসার সাইট-২টি।  সুন্দরবন ও ট্যাঙ্গুয়ার হাওর 
♦️♦️স্মার্ট বাংলাদেশ♦️♦️
★ স্মার্ট বাংলাদেশ হবে: ২০৪১ সালের মধ্যে
★ স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি: ৪ টি
     ১. স্মার্ট সিটিজেন
     ২. স্মার্ট গভর্মেন্ট
     ৩. স্মার্ট সোসাইটি
     ৪. স্মার্ট অর্থনীতি
★ স্মার্ট বাংলাদেশের ঘোষণা: ১২ ডিসেম্বর, ২০২২
★ প্রথম স্মার্ট গ্রাম: হিজলী (ঝিনাইদহ)
★ প্রথম স্মার্ট উপজেলা: শিবচর (মাদারীপুর)
★ প্রথম স্মার্ট জেলা: চট্টগ্রাম (প্রস্তাবিত)
ডিজিটাল বাংলাদেশ
★ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস: ১২ ডিসেম্বর
★ প্রথম 'ডিজিটাল সিটি'/শহর: সিলেট
★ প্রথম ডিজিটাল গ্রাম: তুলাতুলী, (কক্সবাজার) 
★ প্রথম ডিজিটাল জেলা: যশোর
★ প্রথম ডিজিটাল দ্বীপ: মহেশখালী
★ সাইবার সিটি: সিলেট নগরী
 👉 বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় নারী ডেপুটি গভর্নর - নুরুন নাহার 
👉 দেশের ২৪ তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব - মো: মাহবুব হোসেন 
👉 দেশের প্রথম নারী হিসাব মহানিয়ন্ত্রক - ফাহমিদা ইসলাম 
✴️বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কতবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন?
➖ ২ বার
✳️ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রুপিতে লেনদেন শুরু হয় - ১১ জুলাই ২০২৩ 
️ ✳️ ন্যাশনাল কার্ড স্কিম "টাকা পে" উদ্বোধন করা হয় কবে?➖ ১ লা নভেম্বর ২০২৩
✍️ দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় -
👉 ২৮ অক্টোবর ২০২২
✍️ দেশের প্রথম পাতাল রেলের দৈর্ঘ্য -
👉 ১৯.৮৭২ কি.মি
🎆 দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয় - ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
✴️ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় - ২৮ অক্টোবর  ২০২৩

No comments

Post a Comment

Leave with comments

Don't Miss
© all rights reserved
made with by templateszoo